• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

চাঁদপুরে কৃমিনাশকে দু’শতাধিক অসুস্থ

চাঁদপুর প্রতিনিধি : চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় সুহিলপুর উচ্চবিদ্যালয়সহ চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কৃমিনাশক ওষুধ খেয়ে দু’শতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে সোমবার (৩ এপ্রিল) ১১টায় সরকারিভাবে শিক্ষার্থীদের কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়। কৃমির ওষুধ খেয়ে ক্রমান্বয়ে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হতে থাকে।

অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো উপজেলার সুহিলপুর উচ্চ বিদ্যালয়, রামকানাই বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, রান্ধুনীমুড়া উচ্চবিদ্যালয় ও সিদলার একটি মাদ্রাসা। এর মধ্যে সুহিলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭ শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অসুস্থ শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে পাঠায়।

সুহিলপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ কেউ অজ্ঞান হয়ে যায়। কারো মাথা ব্যথা, কারো বুক ব্যথাসহ বিভিন্নরকম সমস্যা দেখা দেয়। সবাই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। আমরা সব শিক্ষক ও অভিভাবক সদস্যবৃন্দ মিলে শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করছি।’

সুহিলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ইসরাফিল জানান, ‘বেলা ১১টার দিকে বিদ্যালয়ে কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানো শুরু হয়। পরে ক্রমেই কয়েক বন্ধু অসুস্থ হয়ে পড়ে।’

এদিকে অসুস্থ হওয়া শিক্ষার্থীদের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে সুহিলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ভাঙচুর চালায় এলাকাবাসী। পরে হাজীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাবেদুল ইসলাম ও সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আলী নুর মোহাম্মদ বশির আহম্মদ বলেন, ‘প্রত্যেককে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অল্প সময়ের মধ্যে সবাই সেরে উঠবে। দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই। কৃমিনাশক ট্যাবলেট ভরা পেটে খেলে কোন অসুবিধা নেই। ট্যাবলেটটি সকলকে সচেতনতার সঙ্গে সেবন করাতে হবে। প্রয়োজনে স্বাস্থ্য সহকারী ও ডাক্তারগণের পরামর্শ নিতে পারেন।’

উল্লেখ্য, ১ এপ্রিল থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এটি ৫ বছর থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু-কিশোর-কিশোরীদের কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো কর্মসূচি। হাজীগঞ্জ উপজেলার ৩৯৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সর্বমোট ৯৪ হাজার ৯শ’ ৭০ জনকে এই ট্যাবলেট খাওয়ানো হবে। রবিবার (২ এপ্রিল) মতলব উত্তর উপজেলার ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে কৃমিনাশক ওষুধ খেয়ে প্রায় ২৫ জন শিক্ষার্থী মতলব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা নিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ